বেইজিংয়ে মানুষের চেয়েও দ্রুত রোবট, কিন্তু বিশ্বরেকর্ড ভাঙার দাবি কতটা সত্য

বোল্টকে নয়, সময়কে হারাল ‘লাইটনিং’: ৯.৩২ সেকেন্ডের রোবট-দৌড় ঘিরে সত্য ও বিভ্রান্তি
১০০ মিটারে ৯.৩২ সেকেন্ড: হিউম্যানয়েড রোবটের গতিবিপ্লবের নেপথ্যে
‘লাইটনিং’-এর অবিশ্বাস্য গতি, তবু উসাইন বোল্টের রেকর্ড অক্ষত কেন
স্ট্যান্ডফার্স্ট
Honor-এর হিউম্যানয়েড রোবট ‘লাইটনিং’ প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি-পর্বে ১০০ মিটার দৌড়েছে ৯.৩২ সেকেন্ডে। সময়টি উসাইন বোল্টের ৯.৫৮ সেকেন্ডের চেয়ে কম হলেও এটি মানুষের অ্যাথলেটিকসের আনুষ্ঠানিক বিশ্বরেকর্ড নয়—এমনকি মূল প্রতিযোগিতায় রোবটটির সময়ও ছিল ৯.৪৭ সেকেন্ড।
মাহফুজ আহমেদ। আন্তর্জাতিক ডেস্ক। রোবট ও বেইজিং এর সাম্প্রতি গবেষণা প্রতিবেদন
গতির নতুন সীমান্তে রোবট
মানবদেহের অনুকরণে তৈরি একটি যন্ত্র যখন ১০০ মিটার পথ পাড়ি দেয় ৯.৩২ সেকেন্ডে, তখন ঘটনাটি শুধু ক্রীড়ার খবর থাকে না। সেটি হয়ে ওঠে মোটর, ব্যাটারি, নিয়ন্ত্রণ-ব্যবস্থা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্মিলিত অগ্রগতির এক নাটকীয় প্রদর্শনী।
চীনের বেইজিংয়ে দ্বিতীয় ওয়ার্ল্ড হিউম্যানয়েড রোবট গেমসের প্রস্তুতি-পর্বে স্মার্টফোন নির্মাতা Honor-এর তৈরি ‘লাইটনিং’ নামের রোবটটি এমনই এক সময় রেকর্ড করেছে। চীনা রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, পরীক্ষামূলক দৌড়ে রোবটটি সর্বোচ্চ ১৪.৫ মিটার প্রতি সেকেন্ড—প্রায় ৫২.২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা—গতিতে পৌঁছেছিল।
এই ৯.৩২ সেকেন্ড উসাইন বোল্টের ২০০৯ সালের ৯.৫৮ সেকেন্ডের মানব বিশ্বরেকর্ডের চেয়ে ০.২৬ সেকেন্ড কম। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া “রোবট বোল্টের বিশ্বরেকর্ড ভেঙেছে” বাক্যটি গুরুত্বপূর্ণ কিছু পার্থক্য আড়াল করছে।
প্রথমত, ৯.৩২ সেকেন্ডের ফলটি ছিল প্রতিযোগিতার আগের প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা—মূল ১০০ মিটার রেসের আনুষ্ঠানিক ফল নয়। দ্বিতীয়ত, World Athletics কেবল যোগ্য মানব অ্যাথলেটের অনুমোদিত প্রতিযোগিতায় নির্দিষ্ট নিয়ম, সময়পরিমাপ, বায়ুর গতি ও ডোপিং-নিয়ন্ত্রণের শর্ত পূরণ করা ফলকেই মানব বিশ্বরেকর্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। একটি ব্যাটারিচালিত যন্ত্র তাই বোল্টের রেকর্ডধারীর মর্যাদা কেড়ে নেয়নি।
মূল প্রতিযোগিতায় জিতেছে অন্য রোবট
২৩ আগস্ট পর্যন্ত পাওয়া ফল অনুযায়ী, মূল ১০০ মিটার প্রতিযোগিতায় ‘লাইটনিং’ ৯.৪৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছে। Beijing Humanoid Robot Innovation Center-এর তৈরি ‘Tiangong Ultra’—কিছু প্রতিবেদনে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির ইংরেজি নাম X-Humanoid হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—৯.৩৯ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে জয় পায়।
অর্থাৎ, মূল প্রতিযোগিতায় দ্রুততম রোবট ছিল ‘লাইটনিং’ নয়। তবে ৯.৪৭ ও ৯.৩৯—দুটি সময়ই সংখ্যাগতভাবে বোল্টের ৯.৫৮ সেকেন্ডের চেয়ে কম।
দৌড়ের শেষাংশ আবার প্রযুক্তির বর্তমান সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট করেছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেদনে দেখা যায়, শেষরেখা পার হওয়ার পর দ্রুতগতির রোবটগুলো নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেনি। ‘Tiangong Ultra’ ট্র্যাক থেকে সরে যায় এবং ‘লাইটনিং’ পড়ে গেলে সেটিকে সরিয়ে নিতে হয়।
দ্রুতগতিতে ছোটা আর নিরাপদে থামা যে একই প্রকৌশলগত সমস্যা নয়—ঘটনাটি তার বাস্তব উদাহরণ।
বোল্টের সঙ্গে তুলনাটি আকর্ষণীয়, কিন্তু সমতুল্য নয়
উসাইন বোল্ট ২০০৯ সালের ১৬ আগস্ট বার্লিন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ৯.৫৮ সেকেন্ডে ১০০ মিটার শেষ করেন। World Athletics-এর তথ্য অনুযায়ী, দৌড়ের সময় বাতাসের সহায়তা ছিল প্রতি সেকেন্ডে ০.৯ মিটার—অনুমোদিত সীমার মধ্যে। ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত এটিই পুরুষদের ১০০ মিটারের স্বীকৃত বিশ্বরেকর্ড।
রোবটের সময়ের সঙ্গে সেই ফলের সরাসরি তুলনায় কয়েকটি মৌলিক সমস্যা রয়েছে:
মানুষ রাসায়নিক শক্তি, পেশি, স্নায়ুতন্ত্র ও শারীরবৃত্তীয় সীমার মধ্যে দৌড়ায়; রোবট চলে ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক মোটর, অ্যাকচুয়েটর ও নিয়ন্ত্রণ-অ্যালগরিদমে।
মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিযোগিতার জন্য পরিবর্তন করা যায় না; রোবটের পা, মোটর, গিয়ার অনুপাত ও কাঠামো নতুন করে নকশা করা সম্ভব।
মানব দৌড়ে বাতাস, স্টার্টিং ব্লক, প্রতিক্রিয়ার সময়, লেন এবং ফটো-ফিনিশসহ কঠোর আন্তর্জাতিক মান প্রয়োগ করা হয়। রোবট পরীক্ষাটিতে একই মানদণ্ড ব্যবহৃত হয়েছিল কি না, তার পূর্ণ স্বাধীন নথি প্রকাশিত হয়নি।
যান্ত্রিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ গতি, স্থিতিশীলতা ও নিয়ন্ত্রণ আলাদাভাবে মূল্যায়নযোগ্য; মানুষের দৌড়ে সবকিছু একই শারীরিক সক্ষমতার অংশ।
তাই সবচেয়ে নির্ভুল ভাষ্য হলো: লাইটনিং ১০০ মিটারে বোল্টের বিশ্বরেকর্ডের চেয়ে কম সময় নিয়েছে; কিন্তু বোল্টের স্বীকৃত মানব বিশ্বরেকর্ড ভাঙেনি।
লম্বা পা, বড় পদক্ষেপ
এপ্রিলের বেইজিং ই-টাউন হিউম্যানয়েড রোবট হাফ-ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার সময় ‘লাইটনিং’-এর উচ্চতা ছিল প্রায় ১৬৯ সেন্টিমিটার এবং পায়ের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৫ সেন্টিমিটার। আগস্টের গেমসের আগে প্রকৌশলীরা পায়ের দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ সেন্টিমিটার বাড়িয়ে ১.০৫ মিটার করেন বলে Reuters জানিয়েছে।
লম্বা পা সাধারণত দীর্ঘ পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেয়। কিন্তু শুধু দৈর্ঘ্য বাড়ালেই গতি আসে না। এতে দেহের ভরকেন্দ্র, জয়েন্টে চাপ, মোটরের প্রয়োজনীয় টর্ক, পায়ের আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা এবং ভারসাম্য-নিয়ন্ত্রণ নতুন করে সমন্বয় করতে হয়।
১৪.৫ মিটার প্রতি সেকেন্ড সর্বোচ্চ গতি এবং ৯.৩২ সেকেন্ডের গড় সময়ের মধ্যে পার্থক্যও গুরুত্বপূর্ণ। ১০০ মিটার ৯.৩২ সেকেন্ডে শেষ করলে পুরো দূরত্বে গড় গতি দাঁড়ায় প্রায় ১০.৭৩ মিটার প্রতি সেকেন্ড। ১৪.৫ মিটার প্রতি সেকেন্ড ছিল দৌড়ের কোনো একটি পর্যায়ে অর্জিত ক্ষণস্থায়ী সর্বোচ্চ গতি।
এই সাফল্যের প্রকৌশলগত তাৎপর্য তাই শুধু “মানুষকে হারানো” নয়; বরং দ্রুত ত্বরণ, উচ্চগতির পদচারণা, প্রতি মুহূর্তে ভারসাম্য সংশোধন এবং যান্ত্রিক অভিঘাত সহ্য করার সমন্বয়ে।
হাফ-ম্যারাথনে ৫০ মিনিট ২৬ সেকেন্ড
‘লাইটনিং’ এপ্রিল ২০২৬-এ বেইজিং ই-টাউন হিউম্যানয়েড রোবট হাফ-ম্যারাথনের স্বয়ংক্রিয় শ্রেণিতে ২১.০৯৭৫ কিলোমিটার পথ ৫০ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে শেষ করে। মানুষের স্বীকৃত বিশ্বরেকর্ড ৫৬ মিনিট ৪২ সেকেন্ড—উগান্ডার জ্যাকব কিপলিমো ২০২৬ সালের মার্চে এই সময় করেন বলে World Athletics-এর হালনাগাদ রেকর্ড তালিকায় উল্লেখ রয়েছে।
তবে এখানেও তুলনাটি প্রতীকী, সমমানের নয়। রোবট ও মানুষ পৃথক প্রতিযোগিতা, পৃথক নিয়ম এবং পৃথক সক্ষমতার ভিত্তিতে দৌড়েছে। কিছু রোবটের ক্ষেত্রে ব্যাটারি বদল, মানব অপারেটরের সহায়তা বা ভিন্ন স্কোরিং-পদ্ধতি থাকতে পারে; ফলে শুধু ফিনিশিং টাইম দিয়ে প্রযুক্তিগত স্বায়ত্তশাসনের পূর্ণ মাত্রা বোঝা যায় না।
আরেকটি সূক্ষ্ম বিষয় হলো—‘লাইটনিং’-এর একটি দূরনিয়ন্ত্রিত সংস্করণ আরও কম সময়ে শেষ করলেও স্বয়ংক্রিয়তার জন্য প্রযোজ্য স্কোরিং সুবিধার কারণে স্বচালিত সংস্করণকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল বলে প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম The Verge জানিয়েছে। এটি দেখায়, রোবট প্রতিযোগিতায় “দ্রুততম” ও “সেরা” সব সময় একই অর্থ বহন করে না।
দ্বিতীয় গেমসে বড় পরিসরের পরীক্ষা
২২ থেকে ২৬ আগস্ট বেইজিংয়ের National Speed Skating Oval-এ আয়োজিত দ্বিতীয় ওয়ার্ল্ড হিউম্যানয়েড রোবট গেমসে আয়োজকদের হিসাব অনুযায়ী ১৬টি দেশ ও অঞ্চলের ৬৬৬টি দল এবং ২,০৫৬টি রোবট অংশ নিচ্ছে। মোট ৫১ ধরনের প্রতিযোগিতার মধ্যে ৩০টি খেলাধুলাভিত্তিক এবং ২১টি বাস্তব কাজের অনুকরণে তৈরি।
গতির পাশাপাশি বৈদ্যুতিক গাড়িতে চার্জিং কেবল সংযোগ, গুদামে মালামাল সরানো, বোতল বা ছোট বস্তু তোলা, রেস্তোরাঁসদৃশ পরিবেশে কাজ এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার মতো পরীক্ষাও রয়েছে। Reuters-এর হিসাবে, প্রতিযোগিতার ৪০ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রয়োজন।
এই অপেক্ষাকৃত অনাড়ম্বর কাজগুলোই বাণিজ্যিক রোবটের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে দ্রুত দৌড়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সোজা ও পূর্বপরিচিত ট্র্যাকে দ্রুত ছোটা একটি নিয়ন্ত্রিত সমস্যা; কিন্তু এলোমেলো কর্মক্ষেত্রে ভুল জায়গায় পড়ে থাকা কেবল শনাক্ত করা, অনিশ্চিত বস্তুকে নিরাপদে ধরা কিংবা মানুষের উপস্থিতিতে কাজ করা অনেক কঠিন।
প্রদর্শনী থেকে বাস্তব কর্মক্ষেত্র
রোবট-দৌড় মূলত একটি চরম চাপের পরীক্ষা। এতে মোটর কত দ্রুত শক্তি দিতে পারে, নিয়ন্ত্রণ সফটওয়্যার কত ঘন ঘন দেহভঙ্গি সংশোধন করে এবং যন্ত্রটি পুনরাবৃত্ত অভিঘাত কতটা সহ্য করে—এসব জানা যায়। এখানকার প্রযুক্তি ভবিষ্যতে দুর্যোগ উদ্ধার, বিপজ্জনক শিল্পকারখানা, গুদাম, নির্মাণক্ষেত্র কিংবা সীমিত চলাচলক্ষম মানুষের সহায়ক যন্ত্রে কাজে লাগতে পারে।
কিন্তু দ্রুতগতি নিরাপত্তার ঝুঁকিও বহুগুণ বাড়ায়। ৫০ কিলোমিটারের বেশি ঘণ্টাগত গতিতে চলা ভারী হিউম্যানয়েড নিয়ন্ত্রণ হারালে মানুষ, অবকাঠামো ও রোবট—তিনটিরই ক্ষতি হতে পারে। ফলে জরুরি ব্রেকিং, সংঘর্ষ শনাক্তকরণ, ব্যর্থ হলে নিরাপদ অবস্থায় চলে যাওয়া এবং মানুষের কাছাকাছি গতিসীমা নির্ধারণ—এসবকে গতির সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
রোবটের দৌড় তাই মানুষকে অপ্রয়োজনীয় করে তোলার ঘোষণা নয়। এটি বরং দেখায়, একটি বিশেষভাবে নকশা করা যন্ত্র একটি সংকীর্ণ ও নিয়ন্ত্রিত কাজে মানুষের জৈবিক সীমা অতিক্রম করতে পারে। গাড়ি মানুষের চেয়ে দ্রুত চলে, ক্রেন মানুষের চেয়ে বেশি ওজন তোলে—তবু তারা মানবক্ষমতার পূর্ণ বিকল্প নয়। ‘লাইটনিং’-এর ক্ষেত্রেও একই সতর্কতা প্রযোজ্য।
আমরা যা জানি
‘লাইটনিং’ Honor-এর তৈরি হিউম্যানয়েড রোবট।
প্রতিযোগিতা-পূর্ব পরীক্ষায় এর প্রকাশিত সময় ৯.৩২ সেকেন্ড এবং সর্বোচ্চ গতি ১৪.৫ মিটার প্রতি সেকেন্ড।
মূল ১০০ মিটার প্রতিযোগিতায় এটি ৯.৪৭ সেকেন্ডে দ্বিতীয় হয়।
‘Tiangong Ultra’ ৯.৩৯ সেকেন্ডে মূল প্রতিযোগিতা জেতে।
বোল্টের ৯.৫৮ সেকেন্ড এখনও World Athletics-স্বীকৃত মানব বিশ্বরেকর্ড।
এপ্রিলে ‘লাইটনিং’ স্বয়ংক্রিয় রোবট শ্রেণিতে হাফ-ম্যারাথন শেষ করে ৫০ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে।
প্রতিযোগিতার আগে এর পায়ের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৫ সেন্টিমিটার থেকে ১.০৫ মিটারে বাড়ানো হয়েছিল।
যা এখনও অস্পষ্ট
৯.৩২ সেকেন্ডের প্রস্তুতি-পর্বে বাতাসের গতি, সময়পরিমাপ, স্টার্ট এবং দূরত্ব যাচাইয়ে ঠিক কোন স্বাধীন মানদণ্ড প্রয়োগ করা হয়েছিল।
পরীক্ষামূলক দৌড়টি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ছিল কি না—তার বিস্তারিত প্রযুক্তিগত লগ জনসমক্ষে পাওয়া যায়নি।
১৪.৫ মিটার প্রতি সেকেন্ড সর্বোচ্চ গতি কোন যন্ত্র ও নমুনা-হারে মাপা হয়েছিল।
পরিবর্তিত রোবটটির ওজন, মোটরের ক্ষমতা, ব্যাটারির আকার ও নিয়ন্ত্রণ সফটওয়্যারের পূর্ণ কারিগরি বিবরণ।
গেমস চলমান থাকায় চূড়ান্ত পদকতালিকা ও কিছু ফল পরিবর্তিত বা হালনাগাদ হতে পারে।
সূত্র ও যাচাই নোট
প্রতিবেদনটি ২৩ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত। Reuters-এর মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদন, Associated Press-এর প্রতিযোগিতা-সংক্রান্ত তথ্য, আয়োজকদের প্রকাশিত সংখ্যা এবং World Athletics-এর রেকর্ড ডেটাবেস পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে। প্রাথমিক দাবিটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন হলো—৯.৩২ সেকেন্ড ছিল প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষার ফল; মূল প্রতিযোগিতায় লাইটনিংয়ের সময় ৯.৪৭ সেকেন্ড।
সরাসরি সূত্র:
Reuters: Beijing robot sprint results and engineering details
Reuters: What Beijing’s robot games reveal about real-world capability
#HumanoidRobot #LightningRobot #Honor #RobotGames #Robotics #ArtificialIntelligence #UsainBolt #TechnologyNews




এখনও কোনো মন্তব্য নেই। আলোচনাটি শুরু করুন।