টাইমস স্কয়ারে ছুরিকাঘাতে ব্যাংক কর্মকর্তা এরিন নিহত

নিউইয়র্কের সবচেয়ে ব্যস্ত ও পুলিশ-নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর একটিতে দিনের আলোয় দুই পথচারীর ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালান এক নারী। নিহত হন ৩২ বছর বয়সী আইনজীবী ও ব্যাংক অব আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিন পিয়াচেন্তি; আহত হন ৬৮ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি। হামলাকারীকে পরে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ। তবে কেন এই হামলা, তিনি কীভাবে চিকিৎসাব্যবস্থার বাইরে থেকে গেলেন এবং পুলিশের প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগ অনিবার্য ছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো তদন্তাধীন।
নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে সোমবারের ব্যস্ত বিকেল তখনো স্বাভাবিক। পর্যটকদের ভিড়, হলুদ ট্যাক্সি, বিশাল বিলবোর্ড আর অফিসফেরত মানুষের স্রোতের মধ্যে হঠাৎ দুই হাতে দুটি বড় ছুরি নিয়ে পথচারীদের ওপর হামলা শুরু করেন এক নারী। কয়েক মিনিটের মধ্যেই শহরের সবচেয়ে পরিচিত জনপরিসরটি পরিণত হয় অপরাধস্থলে।
সেই আকস্মিক হামলায় প্রাণ হারান ৩২ বছর বয়সী এরিন পিয়াচেন্তি—একজন আইনজীবী এবং ব্যাংক অব আমেরিকার Business Selection and Conflicts ইউনিটের ভাইস প্রেসিডেন্ট। তাঁর কর্মস্থল ওয়ান ব্রায়ান্ট পার্ক থেকে ঘটনাস্থল ছিল প্রায় এক অ্যাভিনিউ দূরে।
আরও একজন—৬৮ বছর বয়সী এক পুরুষ—ছুরিকাঘাতে আহত হলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। অভিযুক্ত ৪৯ বছর বয়সী পামেলা সিসনেরোসকে ঘটনাস্থলে গুলি করে পুলিশ। পরে হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিউইয়র্ক পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ ঘটনাটিকে প্রাথমিকভাবে “আপাতদৃষ্টিতে নির্বিচার ও উসকানিহীন” হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে এটি এখনো তদন্তের প্রাথমিক ভাষ্য—চূড়ান্ত অনুসন্ধান নয়। AP, Reuters
কয়েক মিনিটে দুটি হামলা
পুলিশের দেওয়া প্রাথমিক সময়রেখা অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে ৩১ আগস্ট ২০২৬, সোমবার, স্থানীয় সময় বিকেল প্রায় ৪টা ২৪ মিনিটে। স্থানটি পশ্চিম ৪২তম স্ট্রিট ও সেভেন্থ অ্যাভিনিউয়ের সংযোগস্থল—টাইমস স্কয়ারের কেন্দ্র এবং বার্ষিক নববর্ষের বল ড্রপ অনুষ্ঠানের কাছাকাছি এলাকা।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সিসনেরোস প্রথমে ৬৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তির পেটে ছুরিকাঘাত করেন। এরপর তিনি কাছাকাছি থাকা পিয়াচেন্তির ওপর হামলা চালান। দুজনের মধ্যে আগে থেকে পরিচয় বা কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল—এমন তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
পিয়াচেন্তিকে পেটে গুরুতর আঘাত নিয়ে বেলভিউ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত পুরুষটিকেও একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এক নারীকে দুই হাতে ছুরি নিয়ে পুলিশ সদস্যদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তবে অনলাইনে প্রকাশিত ভিডিও সম্পূর্ণ ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধারণ করেনি; ফলে কেবল ওই ফুটেজের ভিত্তিতে পুলিশের সিদ্ধান্তের পূর্ণ মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়।
চার মিনিটের মুখোমুখি অবস্থান
পুলিশ কমিশনার টিশের বর্ণনা অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে পৌঁছে কর্মকর্তারা সিসনেরোসকে ছুরি ফেলে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। প্রায় চার মিনিট ধরে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করা হয়। তাঁকে থামাতে একাধিকবার টেজার বা বৈদ্যুতিক শক অস্ত্র প্রয়োগ করা হলেও তা কার্যকর হয়নি।
পুলিশের দাবি, দুই হাতে ছুরি ধরে সিসনেরোস কর্মকর্তাদের দিকে এগিয়ে আসার পর দুই কর্মকর্তা গুলি চালান। তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি। The Guardian
এটি এখন শুধু হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নয়; পুলিশের গুলিতে একজনের মৃত্যু হওয়ায় NYPD-এর Force Investigation Division ঘটনাটি পরীক্ষা করছে। কর্মকর্তাদের নির্দেশ, টেজারের ব্যবহার, গুলি চালানোর মুহূর্ত এবং প্রাণঘাতী বল প্রয়োগের আইনগত যৌক্তিকতা—সবই তদন্তের আওতায় পড়ার কথা।
পুলিশের বক্তব্য ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বিবরণ, কিন্তু স্বাধীন তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।
কে ছিলেন এরিন পিয়াচেন্তি
নিউ জার্সির চেস্টারে বসবাসকারী পিয়াচেন্তি পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ২০২১ সালে ফোর্ডহ্যাম ইউনিভার্সিটি স্কুল অব ল থেকে আইন ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর স্বামী ফ্রাঙ্ক পিয়াচেন্তিও একই বছরের ফোর্ডহ্যাম ল গ্র্যাজুয়েট।
ফোর্ডহ্যাম ল স্কুল তাঁদের দুজনকে প্রতিষ্ঠানটির “cherished members” বা অত্যন্ত প্রিয় সদস্য হিসেবে স্মরণ করেছে। NBC New York
ব্যাংক অব আমেরিকায় পিয়াচেন্তি প্রায় ১৮ মাস ধরে কাজ করছিলেন। তাঁর ইউনিটটি সম্ভাব্য ব্যবসায়িক সম্পর্ক, স্বার্থের সংঘাত এবং প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি পর্যালোচনার সঙ্গে যুক্ত ছিল।
এখানে পদবি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক ব্যাংকে “ভাইস প্রেসিডেন্ট” একটি জ্যেষ্ঠ পেশাগত পদ হলেও তা ব্যাংকের সর্বোচ্চ করপোরেট নেতৃত্ব বা পরিচালনা পর্ষদের সদস্য বোঝায় না। তাঁকে “ব্যাংক অব আমেরিকার অন্যতম শীর্ষ নির্বাহী” বলা তাই বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
ব্যাংকের গ্লোবাল করপোরেট অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং বিভাগের প্রেসিডেন্ট ম্যাথিউ কোডার কর্মীদের পাঠানো এক স্মারকে পিয়াচেন্তিকে প্রিয় সহকর্মী ও বন্ধু হিসেবে স্মরণ করেছেন।
ব্যাংক অব আমেরিকার বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি সহকর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্তম্ভিত ও গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ব্যাংকটি বলেছে, নিরাপত্তা বিভাগ পুলিশের তদন্তে সহায়তা করছে এবং অফিস ও কর্মীদের নিরাপত্তা পর্যালোচনা করছে। Reuters
অভিযুক্ত নারী সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে
পুলিশ অভিযুক্ত হামলাকারীকে কুইন্সের বাসিন্দা পামেলা সিসনেরোস হিসেবে শনাক্ত করেছে। পুলিশ কমিশনারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত পরিস্থিতিতে তাঁর সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ হয়েছিল। তবে নিউইয়র্ক সিটিতে তাঁর কোনো গ্রেপ্তারের রেকর্ড ছিল না।
সিসনেরোসের ভাই প্যাট্রিক পেরাল্টা AP-কে জানিয়েছেন, তাঁর বোন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যার চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুলনামূলক ভালো ছিলেন। পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁকে আগে আক্রমণাত্মক মনে হয়নি। এই পারিবারিক বিবরণ পুলিশি তদন্তে যাচাই হওয়া বাকি।
মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত পুরোনো নথি থাকাই হামলার উদ্দেশ্য প্রমাণ করে না। কোনো নির্দিষ্ট রোগনির্ণয়, চিকিৎসার সাম্প্রতিক অবস্থা বা ঘটনার সময় তাঁর মানসিক সক্ষমতা সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ এখনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করেনি। ফলে “মানসিক অসুস্থতার কারণেই হামলা”—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো দায়িত্বশীল হবে না।
নিরাপত্তাবোধ ও অপরাধের পরিসংখ্যান
টাইমস স্কয়ারের মতো প্রতীকী স্থানে প্রকাশ্য দিবালোকে এমন হত্যাকাণ্ড মানুষের নিরাপত্তাবোধে গভীর আঘাত করে। কিন্তু একটি ভয়াবহ ঘটনা দিয়ে পুরো শহরের অপরাধপ্রবণতা নির্ধারণ করাও বিভ্রান্তিকর।
NYPD-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে নিউইয়র্কে সাতটি প্রধান অপরাধের সম্মিলিত সংখ্যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১২ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছিল। বছরের প্রথম সাত মাসে গুলির ঘটনা, গুলিতে আহত ব্যক্তি এবং হত্যাকাণ্ডের সংখ্যাও ঐতিহাসিক নিম্নস্তরে ছিল বলে বিভাগটি দাবি করেছে। NYPD
এই পরিসংখ্যান শহরের সামগ্রিক প্রবণতা বোঝায়; পথচারীর ব্যক্তিগত ঝুঁকি বা ছুরি নিয়ে আকস্মিক হামলার সম্ভাবনা আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করে না। অপরাধ কমে এলেও একটি ব্যস্ত জনপরিসরে নজরদারি, দ্রুত জরুরি সাড়া এবং সম্ভাব্য সংকটে থাকা মানুষের আগাম চিকিৎসা নিশ্চিত করার প্রশ্ন তাই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায় না।
মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বনাম পুলিশি প্রতিক্রিয়া
ঘটনাটি নিউইয়র্কের বহুল আলোচিত একটি নীতিগত সংকটকে আবার সামনে এনেছে: গুরুতর মানসিক বা আচরণগত সংকটে থাকা মানুষকে কখন স্বাস্থ্যকর্মী সামলাবেন, আর কখন সশস্ত্র পুলিশ হস্তক্ষেপ করবে?
শহরের B-HEARD কর্মসূচি অহিংস মানসিক স্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্যকর্মীদের পাঠানোর জন্য তৈরি হয়েছিল। কিন্তু নিউইয়র্ক সিটির কম্পট্রোলারের ২০২৫ সালের নিরীক্ষায় দেখা যায়, কর্মসূচির উপযোগী হিসেবে চিহ্নিত ৩৭ হাজার ১১৩টি কলের মধ্যে ১৩ হাজার ৪২টিতে—প্রায় ৩৫ শতাংশ—B-HEARD দল সাড়া দেয়নি; কেন দেয়নি, তার পূর্ণাঙ্গ হিসাবও সংরক্ষণ করা হয়নি। NYC Comptroller
তবে টাইমস স্কয়ারের এই ঘটনায় একজন ব্যক্তি ইতিমধ্যে দুটি বড় ছুরি হাতে মানুষকে আক্রমণ করেছিলেন বলে অভিযোগ। ফলে এটি আর অহিংস স্বাস্থ্যসংকটের শ্রেণিতে ছিল না; তাৎক্ষণিক প্রাণহানির ঝুঁকি মোকাবিলায় পুলিশই প্রধান প্রতিক্রিয়াকারী হওয়া স্বাভাবিক।
তারপরও আগের বছরগুলোতে সিসনেরোসের সংকটগুলো কীভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছিল, তিনি নিয়মিত চিকিৎসা পাচ্ছিলেন কি না এবং সাম্প্রতিক কোনো সতর্কসংকেত ছিল কি না—এসব অনুসন্ধান ভবিষ্যৎ প্রতিরোধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
একটি মৃত্যু, দুটি জবাবদিহির প্রশ্ন
ঘটনার কেন্দ্রে আছেন এরিন পিয়াচেন্তি—একজন তরুণ পেশাজীবী, যিনি একটি সাধারণ কর্মদিবসে বাড়ি ফেরার আগেই আকস্মিক সহিংসতার শিকার হলেন। তাঁর মৃত্যুকে কেবল নগর-অপরাধের সংখ্যা বা রাজনৈতিক বিতর্কের উপাদান বানালে মানুষটির জীবন আড়ালে পড়ে যাবে।
একই সঙ্গে পামেলা সিসনেরোসের মৃত্যুও স্বাধীন তদন্তের দাবি রাখে। তিনি গুরুতর হামলা চালিয়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক প্রমাণ থাকলেও পুলিশি গুলির প্রতিটি ঘটনা আইনগতভাবে পরীক্ষা করা জরুরি। জননিরাপত্তা রক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় শক্তির জবাবদিহি—একটি নিশ্চিত করতে গিয়ে অন্যটি পরিত্যাগ করা যায় না।
ভিডিও, বডি-ক্যামেরা, প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য, ফরেনসিক প্রতিবেদন এবং কর্মকর্তাদের অস্ত্র ব্যবহারের নথি প্রকাশিত হলে বোঝা যাবে পুলিশের সিদ্ধান্ত কতটা অনিবার্য ছিল। তার আগে নিশ্চিতভাবে বলা যায় শুধু এটুকু: টাইমস স্কয়ারে কয়েক মিনিটের সেই সহিংসতা তিনটি পরিবারকে স্থায়ীভাবে বদলে দিয়েছে—একজন নিহত, একজন আহত এবং আরেকজন পুলিশের গুলিতে মৃত।
আমরা যা জানি / যা এখনো অস্পষ্ট
যা নিশ্চিতভাবে জানা গেছে
নিহত ব্যক্তির নাম এরিন পিয়াচেন্তি; তাঁর বয়স ৩২ বছর।
তিনি ব্যাংক অব আমেরিকার Business Selection and Conflicts ইউনিটের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
হামলা ঘটে ৩১ আগস্ট ২০২৬ বিকেল প্রায় ৪টা ২৪ মিনিটে, পশ্চিম ৪২তম স্ট্রিট ও সেভেন্থ অ্যাভিনিউ এলাকায়।
৬৮ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তি ছুরিকাঘাতে আহত হন।
পুলিশ অভিযুক্ত নারীকে পামেলা সিসনেরোস হিসেবে শনাক্ত করেছে।
কর্মকর্তাদের গুলিতে সিসনেরোস নিহত হন।
NYPD-এর Force Investigation Division পুলিশি গুলির তদন্ত করছে।
যা এখনো পরিষ্কার নয়
হামলার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য কী ছিল।
অভিযুক্ত ও দুই ভুক্তভোগীর মধ্যে আগে কোনো যোগাযোগ ছিল কি না।
ঘটনার আগে সিসনেরোসের চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা কী ছিল।
কতটি গুলি চালানো হয়েছিল এবং কোন কর্মকর্তার গুলিতে কী আঘাত হয়েছিল।
বডি-ক্যামেরার সম্পূর্ণ ফুটেজ কখন জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।
টেজার ব্যর্থ হওয়ার পর প্রাণঘাতী গুলি ছাড়া বাস্তবসম্মত অন্য কোনো উপায় ছিল কি না।
উৎস ও যাচাই নোট
America Bangla-র প্রতিবেদনটি প্রাথমিক সূত্রসংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। পরিচয়, পদবি, ঘটনাস্থল, সময়রেখা, আহত ব্যক্তির অবস্থা এবং পুলিশি তদন্তের তথ্য AP, Reuters, NBC New York, The Guardian ও NYPD-এর তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা হয়েছে। চলমান তদন্তের কারণে কিছু তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে। প্রকাশের সময়: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
প্রত্যক্ষ উৎস
Associated Press: Woman killed in Times Square stabbing worked for Bank of America
Reuters: Bank of America vice president killed in Times Square stabbing
The Guardian: Bank of America executive identified as victim
#TimesSquare #ErinPiacenti #BankOfAmerica #NYCNews #NYPD #NewYorkCrime #PublicSafety #CaliforniaChithi




এখনও কোনো মন্তব্য নেই। আলোচনাটি শুরু করুন।