চেরনোবিলে আবার পারমাণবিক আতঙ্ক: এবার জ্বালানি সংরক্ষণাগারে রুশ ড্রোন হামলা

ইউক্রেনের চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে অবস্থিত একটি ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি সংরক্ষণ স্থাপনায় (CSFSF) ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। গত ৭ জুন (২০২৬) সংঘটিত এই হামলাকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি "চরম জঘন্য" এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ১৯৮৬ সালের বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিপর্যয়ের স্মৃতিবিজড়িত চেরনোবিল এলাকাটি এই ঘটনার পর আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (https://ekhon.tv/international/6a256fac35db1dea5b259250)এনারগোঅ্যাটম (Energoatom) এবং সামরিক বাহিনীর জেনারেল স্টাফ জানিয়েছে, চেরনোবিল নিষিদ্ধ অঞ্চলের ভেতরে অবস্থিত ওই স্থাপনাটির একটি বহুতল ভবনে রাশিয়ার ‘শাহেদ’ ড্রোন আঘাত হানে। বিস্ফোরণের পর সেখানে তাৎক্ষণিক আগুন ধরে যায় এবং ভবনটি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ইউক্রেনীয় জরুরি উদ্ধারকারী দল এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
সৌভাগ্যবশত, হামলার সময় ভবনটিতে কোনো ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি মজুত ছিল না। (https://www.aljazeera.com/news/2026/6/7/russian-drone-strike-damages-site-near-chornobyl-nuclear-plant)আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA) দ্রুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নিশ্চিত করেছে যে, এই বিমান হামলার পর চেরনোবিল ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা বাড়েনি, বিকিরণ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই রয়েছে। এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চেরনোবিলের মতো সংবেদনশীল স্থাপনায় এটিই প্রথম হামলা নয়; এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতেও এখানকার একটি সুরক্ষা গম্বুজে ড্রোন আঘাত হেনেছিল। ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকে ক্রেমলিনের "পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইল" এবং বিশ্ব সুরক্ষার জন্য চরম হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছে। তবে বরাবরের মতোই রাশিয়া এই হামলার বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।




এখনও কোনো মন্তব্য নেই। আলোচনাটি শুরু করুন।